সংবাদ ডেস্ক :

নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলায় যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় সুনামগঞ্জের ৯ জন নিহত হয়েছেন। আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টা পর্যন্ত নেত্রকোনার একজনসহ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার ২ জন ও মধ্যনগর থানার ৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহতদের মধ্যে ৫ জন শিশু, ৩ জন নারী ও ২ জন পুরুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর মধ্যে আছেন দুই পরিবারের ৬ জন। আর জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে ৫ জনকে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সুনামগঞ্জের মধ্যনগর থেকে নেত্রকোনা সদরের ঠাকুরাকোণা ঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার পর বুধবার সকাল ১১টার দিকে কলমাকান্দা উপজেলার বড়কাপন ইউনিয়নের রাজনগর এলাকার গুমাই নদীতে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বালুবাহী ট্রলারের ধাক্কায় ডুবে যায় ওই ট্রলার। পরে স্থানীয়রা ১০ জনের লাশ উদ্ধার করেন।

দুর্ঘটনায় নিহতরা হলেন- ধর্মপাশা উপজেলার ইনাতনগর গ্রামের সাহেব আলীর স্ত্রী মজিদা আক্তার (৫০), মধ্যনগর এলাকার কামারউড়া গ্রামের আলমগীর হোসেনের ছেলে অনিক (৭), একই গ্রামের হাবিকুলের স্ত্রী লাকি আক্তার (৩০), তার দুই সন্তান টুম্পা আক্তার (৫) ও জাহিদ হোসেন (৩), ধর্মপাশা উপজেলার জামালপুর গ্রামের জোবাইরের ছেলে মোজাহিদ (৪), একই গ্রামের আব্দুল করিমের স্ত্রী সুলতানা আক্তার (৪৫), ইনাতনগর গ্রামের ওয়াহাব আলীর স্ত্রী লুৎফুন্নাহার ও তার আড়াই বছরের ছেলে ইয়াসিন। একই পরিবারের মনিরা (৫) নামের আরও এক শিশু নিখোঁজ রয়েছে। এছাড়া মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে নেত্রকোনা সদরের মেদনী গ্রামের আবুচানের স্ত্রী হামিদা খাতুনের (৪৫)।

এছাড়া নিখোঁজ রয়েছেন, ইনাতনগরের আব্দুল হান্নানের ছেলে রতন মিয়া (৩৫), একই এলাকার ফাতেমা আক্তার (৩৫) ও মোফাজ্জল।

ইতোমধ্যে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছেন বলে জানা গেছে। তিনি নিহতদের স্বজনদের সাথে দেখা করার কথা রয়েছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ধর্মপাশা ও মধ্যনগরের নিহতদের পরিবারে চলছে শোকের মাতম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here