সংবাদ ডেস্ক :

সিলেটে শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে। গতবার এই সংখ্যা ছিল ২২টি। এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩টিতে।

রোববার (৩১ মে) সকাল ১০টায় গণভবনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সারসংক্ষেপ হস্তান্তর করেন।

সিলেট বোর্ডের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২০১৬ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল ৬২টি, ২০১৭ সালে ছিল ৩৭টি, ২০১৮ সালে শতভাগ পাস করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ২৩টি এবং ২০১৯ সালে এই সংখ্যা ছিল ২২টি।

অন্যদিকে গত চার বছরই একজনও পাস করতে পারেননি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছিল না একটিও। তবে ২০১৬ সালে শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল মাত্র একটি।

সিলেটে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার গতবার পাশের হার ছিল ৭০ দশমিক ৮৩ শতাংশ আর এবার পাসের হার ৭৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আর গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিলো ২ হাজার ৭৫৭ জন শিক্ষার্থী। এবার সে সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২৬৩ জনে।

সিলেট বোর্ডের অধীনে এবার এসএসসিতে ৯১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এক লাখ ১৬ হাজার ১০৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পাস করেছেন ৯১ হাজার ৪৮০ জন। এদের মধ্যে ছেলে ৩৯ হাজার ৫০৪ জন এবং মেয়ে ৫১ হাজার ৯৭৬ জন।

সারাদেশে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করেছেন ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থী। গত বছর ৮২ দশমিক ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল, জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১ লাখ ৫ হাজার ৫৯৪ জন।

এবার কেবল ওয়েবসাইট ও মুঠোফোনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবেন। যেসব পরীক্ষার্থী নির্ধারিত নিয়মে মুঠোফোনে খুদে বার্তা পাঠিয়ে প্রাকনিবন্ধন করেছে, তাদের মুঠোফোন নম্বরে খুদে বার্তা পাঠিয়ে ফল জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত হয় এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। এবার ২০ লাখ ৪০ হাজার ২৮ জন শিক্ষার্থী মাধ্যমিকের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয়, তাদের মধ্যে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন পাস করেছে।

নয়টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ, মাদ্রাসা বোর্ডে ৮২ দশমিক ৫১ শতাংশ এবং কারিগরি বোর্ডের ৭১ দশমিক ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবারও পাসের হারে এগিয়ে আছে ছাত্রীরা। ছাত্রদের পাসের হার যেখানে ৮১ দশমিক ৬৩ শতাংশ, সেখানে ছাত্রীদের মধ্যে ৮৪ দশমিক ১০ শতাংশ পাস করেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here