বাংলাদেশের শিক্ষাঙ্গনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র অধ্যাপক ড. মঞ্জুশ্রী চৌধুরী । যিনি ছিলেন একাধারে সুসাহিত্যিক ,গবেষক ,শিক্ষাবিদ ,গ্রন্থপ্রণেতা,সুদক্ষ প্রশাসক এবং সর্বোপরি একজন সুশিক্ষক । আকাশের মত উদার ছিল তাঁর মন । তিনি ছিলেন ছিলেন এমন একটা সময়ের প্রতিচ্ছবি , যে যুগে মেয়েদের শিক্ষার সঙ্গে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও সচেতনতা ,পারিবারিক মূল্যবোধ জড়িত ছিল ! সাহিত্য ও গবেষণা ক্ষেত্রে তিনি যেমন সফলতা অর্জন করেছিলেন,তেমনি সাফল্যলাভ করেছিলেন তার শিক্ষকতা জীবনেও ।এদেশে নারীদের চলার পথে ,বিদ্যার্জনের পথে,চাকুরীক্ষেত্রে কত বাধা-বিঘ্ন ও কতশত প্রতিকুলতা । সকল প্রতিবন্ধকতার বেড়াজাল পেরিয়ে নির্ভীক ও দৃপ্ত সাহসে এগিয়ে গেছেন এই শিক্ষাব্রতী ,বহুগ্রন্থপ্রণেতা এক প্রজ্ঞাময়ী নারী ।

সুরমা নদীর পাড় হয়ে ছায়া সুনিবিড়ি গ্রাম আকিলপুর

ড.মঞ্জুশ্রী চৌধুরী রিসার্চ ইন্সটিটিউট সিলেট এবং ড. মঞ্জুশ্রী একাডেমি , আকিলপুর, বিশ্বনাথ এর উদ্যোগে বর্ষব্যাপী জন্মশতবর্ষ এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। ড.মঞ্জুশ্রী চৌধুরী রিসার্চ ইন্সটিটিউট সিলেট এর আট সদস্যের এক প্রতিনিধি দলের হারিয়ে যাওয়া জমিদার বাড়ি, স্কুল, আখড়া, চেয়ারম্যান বাড়ি পরিদর্শন। আমাদের এ দলে ছিলেন শিল্পী হীরা রায়, বিশিষ্ট সাংবাদিক হৃষীকেশ রায় শংকর, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সফল ব্যবসায়ী হেলাল আহমদ, ভোরের কাগজ পাঠক ফোরাম সিলেট শাখার সভাপতি ও বিশিষ্ট লেখিকা অমিতা বর্ধন, বিয়াম বিশ্বনাথ শাখার প্রধান মণিকাঞ্চন মিলা, অটোগ্রাফ সম্পাদক আব্দুল কাদির জীবন, শিক্ষিকা অলি রাণী দাস। আমাদের সারা গ্রাম ঘুরে দেখায় সহায়তা করে- তরুণ সংগঠক ও কবি সালা্হউদ্দিন নীল, শিক্ষক জুমেন আহমদ, কবি সুমন বিপ্লব।
এ গ্রামে গেলে লামাকাজী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সমাজসেবী মোঃ লালা মিয়া সাহেবের বাড়িতে আত্মীয়তা না পেয়ে কেউ আসতে পারে না।ড. মঞ্জুশ্রী একাডেমি এর চেয়ারম্যান সুমন বিপ্লব এ বাড়িতে থেকে সাহিত্য, সংগঠনের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। এ গ্রামের প্রতিটি মানুষ খুব সহজ সরল ও আন্তরিক।
-মিহির মোহন, চেয়ারম্যান, ড.মঞ্জুশ্রী চৌধুরী রিসার্চ ইন্সটিটিউট সিলেট

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here