সংবাদ ডেস্ক
দেশের করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাংবাদিকের সংখ্যা বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের নরসিংদী জেলা প্রতিনিধির করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এই নিয়ে করোনায় আক্রান্ত সাংবাদিকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৭ জন।

নতুন আক্রান্ত সংবাদকর্মীর কর্মস্থল টিভি স্টেশনের ঢাকা অফিসের একজন সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সম্প্রতি তাদের কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই সাংবাদিকের সংস্পর্শে আশা অন্যদেরও হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়।

এর আগে যে সংবাদকর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন তাদের কেউ বাড়িতে এবং কেউ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এরা সংক্রমিত হওয়ার ফলে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) পরামর্শে শতাধিক সাংবাদিক-কর্মচারীকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে একটি টেলিভিশনের ৪৭ সংবাদকর্মীর কোয়ারেন্টাইন শেষ হয়েছে। এ সময়ে তাদের কারও মধ্যে কোনো উপসর্গ মেলেনি।

গত ১১ এপ্রিল আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত দুই সংবাদকর্মীর সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদেরও কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা। দেশে একের পর এক সাংবাদিক করোনায় আক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে)।

এই সংখ্যা বাংলাদেশের গণমাধ্যমের জন্য অশনিসংকেত বলছেন সংশ্লিষ্টরা। গণমাধ্যমকর্মীদের অভিযোগ, সাংবাদিকদের স্ব স্ব মিডিয়া হাউজ থেকে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী না দিয়েই অ্যাসাইনমেন্টে পাঠানো হচ্ছে। সাংবাদিকদের এমন চলাফেরা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা।

এদিকে সংবাদকর্মীরা আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি একটি টেলিভিশনের টকশোর অতিথি হওয়া এক চিকিৎসকও করোনায় সংক্রমিত হওয়ার খবর মিলেছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই টকশোর একজন কো-অর্ডিনেটরের ভগ্নিপতি করোনাভাইরাসে মারা যাওয়ার পরও তাকে জোর করে কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছে। এখন সেই কো-অর্ডিনেটরও অসুস্থ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here