বিশেষ প্রতিবেদন : বিদেশ থেকে সোডিয়াম সালফেটের আড়ালে আনা হচ্ছে আমদানি নিষিদ্ধ সোডিয়াম ক্লোরাইড। আর এ দুটি রাসায়নিক উপকরণ মিশিয়ে তৈরি হচ্ছে ভেজাল লবণ। যা খাওয়ানো হচ্ছে দেশের মানুষকে। আর সরবরাহ করা হচ্ছে শিল্প-কারখানায়। লবণের মতো অবিকল হওয়ার পাশাপাশি দামের তারতম্যের কারণে অধিক মুনাফার লোভে এমন অপতৎপরতায় অসাধুরা। তাতে লবণশিল্পের অস্তিত্ব আর জনস্বাস্থ্য দুটোই গভীর সংকটে। চ্যানেল টোয়েন্টিফোর
অভিযোগ পাওয়া গেছে, আমদানি করা সোডিয়াম সালফেট খাবার লবণ এবং শিল্প-কারখানার উপকরণ হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে। তবে সোডিয়াম সালফেট তেতো হওয়ায় এর আড়ালে আমদানি নিষিদ্ধ সোডিয়াম ক্লোরাইড এনে তা মিশিয়ে বিক্রি হচ্ছে লবণ হিসেবে।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, বেশি লাভের আশায় এমন ভেজাল করছে একটি চক্র। কেন-না, দেখতে একইরকম ছাড়াও দেশীয় লবণের তুলনায় সোডিয়াম সালফেট আর ক্লোরাইডের কেজি প্রতি দাম পাঁচ থেকে ৩১ টাকা পর্যন্ত কম হওয়ার সুযোগটি কাজে লাগাচ্ছে এই অসাধু চক্র।
এসব ভেজাল লবণ বাজারজাত করা হচ্ছে নামি-দামি প্রতিষ্ঠানের নাম বা মোড়ক নকল করে। কেউ আবার তা করছে নতুন নামে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসবই হচ্ছে সোডিয়াম সালফেট আর ক্লোরাইডের মিশ্রণে। যাতে হুমকিতে জনস্বাস্থ্য।
বেসরকারি হিসাবে দেশে বছরে লবণের চাহিদা প্রায় ২৪ লাখ টন। আর সরকারি তথ্যমতে, যা আরও ৬ লাখ টন কম। যার বিপরীতে গেল বছর লবণ উৎপাদন হয় প্রায় ১৮ লাখ টন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here